দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিদের ওপর ধারাবাহিক হামলার নেপথ্যে সরকারের উচ্চপর্যায়ের উসকানি ও মদদ রয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত ৯টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশিবির সভাপতি বলেন, “সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা এবং রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হচ্ছে। ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের পর ক্যাম্পাসে যে গণতান্ত্রিক ও সহনশীল পরিবেশ গড়ে ওঠার কথা ছিল, এই হামলাগুলো তা চরমভাবে ব্যাহত করছে।”
বিশেষ করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের যৌক্তিক আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও প্রতিনিধিদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।
জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া।
চিকিৎসা ব্যয়: আহত শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের সকল চিকিৎসার খরচ সরকারকে বহন করতে হবে।
আলিয়া মাদ্রাসার আবাসিক পরিবেশ অবিলম্বে নিরাপদ করা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উন্নয়নকাজ দ্রুত সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখানো
নূরুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও শক্তি প্রদর্শন শেষ পর্যন্ত হামলাকারীদের জন্যই বুমেরাং হবে। গত ১৬ বছর ধরে নির্যাতন আর টেন্ডারবাজি চালিয়ে পতিত স্বৈরাচার যেভাবে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে, সেই ঘটনা থেকে সকলের শিক্ষা নেওয়া উচিত।”

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিদের ওপর ধারাবাহিক হামলার নেপথ্যে সরকারের উচ্চপর্যায়ের উসকানি ও মদদ রয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত ৯টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশিবির সভাপতি বলেন, “সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা এবং রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হচ্ছে। ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের পর ক্যাম্পাসে যে গণতান্ত্রিক ও সহনশীল পরিবেশ গড়ে ওঠার কথা ছিল, এই হামলাগুলো তা চরমভাবে ব্যাহত করছে।”
বিশেষ করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের যৌক্তিক আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও প্রতিনিধিদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।
জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া।
চিকিৎসা ব্যয়: আহত শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের সকল চিকিৎসার খরচ সরকারকে বহন করতে হবে।
আলিয়া মাদ্রাসার আবাসিক পরিবেশ অবিলম্বে নিরাপদ করা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উন্নয়নকাজ দ্রুত সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখানো
নূরুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও শক্তি প্রদর্শন শেষ পর্যন্ত হামলাকারীদের জন্যই বুমেরাং হবে। গত ১৬ বছর ধরে নির্যাতন আর টেন্ডারবাজি চালিয়ে পতিত স্বৈরাচার যেভাবে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে, সেই ঘটনা থেকে সকলের শিক্ষা নেওয়া উচিত।”

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন