ঠাকুরগাঁওয়ের একটি বন্যপ্রাণীর আক্রমণে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত ৭টার দিকে উপজেলার সহোদর, দোশিয়া ও বুড়িপুকুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। প্রাণীটির আকস্মিক হামলায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ এটিকে হায়না বলে দাবি করলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো প্রাণীটির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়নি।
আহত ব্যক্তিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের খাবার শেষে কেউ বাড়ির আঙিনায়, কেউ আবার চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ একটি বন্যপ্রাণী লোকজনের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রাণীটি একের পর এক ব্যক্তিকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ে আহত করে। পরে কয়েকটি বাড়িতে ঢুকে শিশু ও গৃহপালিত ছাগলের ওপরও হামলা চালায়।
আহতদের মধ্যে বুড়িপুকুর গ্রামের ময়রমা (৭৫), জমেলা (৭০), আরিফ, মশিউর ও মকবুলের নাম জানা গেছে। তবে তাদের দাবি আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
বুড়িপুকুর গ্রামের বাসিন্দা আল মামুন বলেন, প্রাণীটি খুবই হিংস্র ছিল। মানুষ দেখলেই তেড়ে গিয়ে কামড়ে দিচ্ছিল। পরে গ্রামবাসী সংঘবদ্ধ হয়ে ধাওয়া করলে সেটি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই প্রাণীটিকে হায়না বলে ধারণা করছেন। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের কেউ কেউ বলছেন, একটি প্রাণীই বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে এসব হামলা চালিয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শরিফুল ইসলাম বলেন, আহতদের ক্ষতস্থান পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি হায়না-জাতীয় কোনো বন্যপ্রাণীর কামড় হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আক্রান্তদের প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যান্টি-র্যাবিস ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর আহতদের ক্ষেত্রে অ্যান্টি-র্যাবিস ভ্যাকসিনের পাশাপাশি অ্যান্টি-র্যাবিস ইমিউনোগ্লোবিউলিনও প্র
য়োগ করা হয়েছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের একটি বন্যপ্রাণীর আক্রমণে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত ৭টার দিকে উপজেলার সহোদর, দোশিয়া ও বুড়িপুকুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। প্রাণীটির আকস্মিক হামলায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ এটিকে হায়না বলে দাবি করলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো প্রাণীটির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়নি।
আহত ব্যক্তিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের খাবার শেষে কেউ বাড়ির আঙিনায়, কেউ আবার চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ একটি বন্যপ্রাণী লোকজনের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রাণীটি একের পর এক ব্যক্তিকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ে আহত করে। পরে কয়েকটি বাড়িতে ঢুকে শিশু ও গৃহপালিত ছাগলের ওপরও হামলা চালায়।
আহতদের মধ্যে বুড়িপুকুর গ্রামের ময়রমা (৭৫), জমেলা (৭০), আরিফ, মশিউর ও মকবুলের নাম জানা গেছে। তবে তাদের দাবি আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
বুড়িপুকুর গ্রামের বাসিন্দা আল মামুন বলেন, প্রাণীটি খুবই হিংস্র ছিল। মানুষ দেখলেই তেড়ে গিয়ে কামড়ে দিচ্ছিল। পরে গ্রামবাসী সংঘবদ্ধ হয়ে ধাওয়া করলে সেটি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই প্রাণীটিকে হায়না বলে ধারণা করছেন। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের কেউ কেউ বলছেন, একটি প্রাণীই বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে এসব হামলা চালিয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শরিফুল ইসলাম বলেন, আহতদের ক্ষতস্থান পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি হায়না-জাতীয় কোনো বন্যপ্রাণীর কামড় হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আক্রান্তদের প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যান্টি-র্যাবিস ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর আহতদের ক্ষেত্রে অ্যান্টি-র্যাবিস ভ্যাকসিনের পাশাপাশি অ্যান্টি-র্যাবিস ইমিউনোগ্লোবিউলিনও প্র
য়োগ করা হয়েছে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন