নওগাঁর পোরশা উপজেলা শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম অফিসে দায়িত্বে অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, দিনের পর দিন অফিসটি তালাবদ্ধ থাকায় ব্যাহত হচ্ছে সরকারি সেবা ও দাপ্তরিক কার্যক্রম।
জানা যায়, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল প্রায় ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের অফিস সহায়ক জাহাঙ্গীর আলম দাপ্তরিক চিঠিপত্র পৌঁছে দিতে ওই অফিসে যান। সেখানে গিয়ে তিনি অফিসে তালা ঝুলতে দেখেন। জাহাঙ্গীর আলম জানান, সরকারি চিঠিপত্র পৌঁছে দিতে এসে তিনি প্রায়ই অফিসটি তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান।
বিষয়টি জানতে অফিসের কেয়ারটেকার মোহসেন আলীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।
অপরদিকে, অফিসের সুপারভাইজার জাফর আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, "আমি নওগাঁ জেলা অফিসে একটি কাজে ব্যস্ত আছি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করব।"
স্থানীয়দের অভিযোগ, শিশু ও গণশিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যক্রম পরিচালনাকারী একটি অফিস দীর্ঘ সময় তালাবদ্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
(প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর পোরশা উপজেলা শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম অফিসে দায়িত্বে অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, দিনের পর দিন অফিসটি তালাবদ্ধ থাকায় ব্যাহত হচ্ছে সরকারি সেবা ও দাপ্তরিক কার্যক্রম।
জানা যায়, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল প্রায় ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের অফিস সহায়ক জাহাঙ্গীর আলম দাপ্তরিক চিঠিপত্র পৌঁছে দিতে ওই অফিসে যান। সেখানে গিয়ে তিনি অফিসে তালা ঝুলতে দেখেন। জাহাঙ্গীর আলম জানান, সরকারি চিঠিপত্র পৌঁছে দিতে এসে তিনি প্রায়ই অফিসটি তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান।
বিষয়টি জানতে অফিসের কেয়ারটেকার মোহসেন আলীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।
অপরদিকে, অফিসের সুপারভাইজার জাফর আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, "আমি নওগাঁ জেলা অফিসে একটি কাজে ব্যস্ত আছি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করব।"
স্থানীয়দের অভিযোগ, শিশু ও গণশিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যক্রম পরিচালনাকারী একটি অফিস দীর্ঘ সময় তালাবদ্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
(প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন