শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাদের আদালতে হাজির করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়ন থেকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ একটি কল আসে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ ওই দম্পতিকে উদ্ধার করে। পরে ভুক্তভোগী নারীকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, কৌশলে স্বামীকে ডেকে নিয়ে বেঁধে রাখা হয়। এরপর তার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, টাকা নিয়ে যাওয়ার পর স্থানীয় দুই ব্যক্তি ওই নারীকে ধর্ষণ করেন।
ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আলী খন্দকার, রাব্বি বেপারী এবং তাদের সহযোগী ইমন খন্দকারকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাদের আদালতে হাজির করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়ন থেকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ একটি কল আসে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ ওই দম্পতিকে উদ্ধার করে। পরে ভুক্তভোগী নারীকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, কৌশলে স্বামীকে ডেকে নিয়ে বেঁধে রাখা হয়। এরপর তার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, টাকা নিয়ে যাওয়ার পর স্থানীয় দুই ব্যক্তি ওই নারীকে ধর্ষণ করেন।
ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আলী খন্দকার, রাব্বি বেপারী এবং তাদের সহযোগী ইমন খন্দকারকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন