ফরিদপুর সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওবায়দুর রহমানকে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেয় জেলা বিএনপি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা এবং সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপনের স্বাক্ষরিত এক বহিষ্কারাদেশে বিষয়টি জানানো হয়।
দলীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি এক নারীর সঙ্গে ওবায়দুর রহমানের একটি ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
বহিষ্কারাদেশে বলা হয়, নৈতিক স্খলনজনিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ওবায়দুর রহমানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পর জেলা বিএনপির সভায় তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে এমন কোনো কর্মকাণ্ডকে বিএনপি প্রশ্রয় দেয় না এবং এ ধরনের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুর সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওবায়দুর রহমানকে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেয় জেলা বিএনপি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা এবং সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপনের স্বাক্ষরিত এক বহিষ্কারাদেশে বিষয়টি জানানো হয়।
দলীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি এক নারীর সঙ্গে ওবায়দুর রহমানের একটি ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
বহিষ্কারাদেশে বলা হয়, নৈতিক স্খলনজনিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ওবায়দুর রহমানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পর জেলা বিএনপির সভায় তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে এমন কোনো কর্মকাণ্ডকে বিএনপি প্রশ্রয় দেয় না এবং এ ধরনের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন