কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে সাপের কামড়ে মো. আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ (৬০) নামে এক সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বড়কান্দা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আসাদ ওই এলাকার মৃত হাজি আব্দুস সামাদের ছেলে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বাড়ির পাশের জমিতে গরুর জন্য ঘাস কাটার সময় একটি বিষধর সাপ তাকে কামড় দেয়। বিষয়টি টের পেয়ে স্বজন ও স্থানীয়রা দ্রুত তাকে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়মা রহমান জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপের বিষের প্রতিষেধক (অ্যান্টিভেনম) মজুত ছিল। রোগীর ক্লটিং টেস্টসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলেও সাপের বিষক্রিয়ার নিশ্চিত কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। তাই চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তখন অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকরা রোগীকে হাসপাতালে রেখে পর্যবেক্ষণে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে স্বজনদের ইচ্ছায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।
ডা. সায়মা রহমানের মতে, সাপের কামড়ের পাশাপাশি অতিরিক্ত ভয় বা আতঙ্কের কারণে হৃদ্রোগজনিত জটিলতায় মৃত্যু হয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখার বিষয়।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে সাপের কামড়ে মো. আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ (৬০) নামে এক সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বড়কান্দা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আসাদ ওই এলাকার মৃত হাজি আব্দুস সামাদের ছেলে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বাড়ির পাশের জমিতে গরুর জন্য ঘাস কাটার সময় একটি বিষধর সাপ তাকে কামড় দেয়। বিষয়টি টের পেয়ে স্বজন ও স্থানীয়রা দ্রুত তাকে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়মা রহমান জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপের বিষের প্রতিষেধক (অ্যান্টিভেনম) মজুত ছিল। রোগীর ক্লটিং টেস্টসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলেও সাপের বিষক্রিয়ার নিশ্চিত কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। তাই চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তখন অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকরা রোগীকে হাসপাতালে রেখে পর্যবেক্ষণে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে স্বজনদের ইচ্ছায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।
ডা. সায়মা রহমানের মতে, সাপের কামড়ের পাশাপাশি অতিরিক্ত ভয় বা আতঙ্কের কারণে হৃদ্রোগজনিত জটিলতায় মৃত্যু হয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখার বিষয়।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন