ব্যক্তিগত কিংবা দলীয় স্বার্থের জন্য দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়া উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, এমন কোনো সিদ্ধান্ত বা বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করা উচিত নয়, যা দেশের স্বাধীনতা, স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণের পরিপন্থী।
সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে বরিশাল নগরের সদর রোডের অশ্বিনী কুমার টাউন হলে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ১০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফয়জুল করীম বলেন, দেশের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ থেকেই রাষ্ট্রের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। ব্যক্তি বা দলের স্বার্থের কারণে দেশের ক্ষতি হয়—এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত নয়।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল ও শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে প্রতিরক্ষা খাতকে আরও আধুনিক ও সক্ষম করতে হবে। এ জন্য সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
বক্তব্যে তিনি প্রতিবেশী ভারতের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করে বলেন, মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা বা তাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে মুসলমানরা অতীতেও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে এবং ভবিষ্যতেও সেই অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফয়জুল করীম বলেন, নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে কাদিয়ানী ও হেজবুত তাওহীদকে অমুসলিম ঘোষণা করার দাবি জানান তিনি।
দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বরিশাল অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে আরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বরিশাল-ভোলা সেতু নির্মাণ, ছয় লেন সড়ক, রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
তরুণদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজ বিভিন্ন সময় গণতন্ত্র ও পরিবর্তনের দাবিতে আন্দোলন করেছে। তাদের প্রত্যাশা পূরণে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় দাবি আদায়ে তরুণদের সঙ্গে নিয়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ আরমান হোসেন রিয়াদ। প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মুফতি মানসুর আহমাদ সাকী।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
ব্যক্তিগত কিংবা দলীয় স্বার্থের জন্য দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়া উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, এমন কোনো সিদ্ধান্ত বা বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করা উচিত নয়, যা দেশের স্বাধীনতা, স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণের পরিপন্থী।
সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে বরিশাল নগরের সদর রোডের অশ্বিনী কুমার টাউন হলে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ১০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফয়জুল করীম বলেন, দেশের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ থেকেই রাষ্ট্রের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। ব্যক্তি বা দলের স্বার্থের কারণে দেশের ক্ষতি হয়—এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত নয়।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল ও শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে প্রতিরক্ষা খাতকে আরও আধুনিক ও সক্ষম করতে হবে। এ জন্য সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
বক্তব্যে তিনি প্রতিবেশী ভারতের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করে বলেন, মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা বা তাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে মুসলমানরা অতীতেও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে এবং ভবিষ্যতেও সেই অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফয়জুল করীম বলেন, নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে কাদিয়ানী ও হেজবুত তাওহীদকে অমুসলিম ঘোষণা করার দাবি জানান তিনি।
দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বরিশাল অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে আরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বরিশাল-ভোলা সেতু নির্মাণ, ছয় লেন সড়ক, রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
তরুণদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজ বিভিন্ন সময় গণতন্ত্র ও পরিবর্তনের দাবিতে আন্দোলন করেছে। তাদের প্রত্যাশা পূরণে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় দাবি আদায়ে তরুণদের সঙ্গে নিয়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ আরমান হোসেন রিয়াদ। প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মুফতি মানসুর আহমাদ সাকী।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন