নরসিংদীর রায়পুরায় মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার ৪৪ ঘণ্টা পর জেলের জালে ভেসে উঠেছে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মরদেহ। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে উপজেলার হাইরমারা ইউনিয়নের মনিপুরা ঘাট এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত কিশোর ইয়াসিন সরকার ওরফে দীপু (১৬) উপজেলার চান্দেরকান্দি ইউনিয়নের দাইরেরপাড় এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার মা ও বোনের সঙ্গে মামার বাড়িতে বেড়াতে যায় ইয়াসিন। পরদিন শনিবার দুপুরে কয়েকজন সমবয়সীর সঙ্গে মনিপুরা ঘাটে মেঘনা নদীতে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে নদীর মাঝামাঝি ডুবে থাকা একটি কাঠের সেতুর দিকে যাওয়ার সময় প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে পানিতে তলিয়ে যায় সে।
ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা, স্বজন এবং ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা দীর্ঘ সময় উদ্ধার অভিযান চালান। পরে ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলও অভিযানে যোগ দিলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত ইয়াসিনের কোনো সন্ধান মেলেনি। রোববারও স্বজনরা নৌকা নিয়ে দিনভর নদীতে খোঁজ চালান, কিন্তু তাতেও সফল হননি।
অবশেষে সোমবার সকালে স্থানীয় কয়েকজন জেলের জালে ইয়াসিনের মরদেহ আটকা পড়ে। পরে তারা বিষয়টি পরিবারকে জানালে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।
খবর পেয়ে রায়পুরা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহতের মামা আবু সায়েম বলেন, একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে ইয়াসিনের বাবা-মা ভেঙে পড়েছেন। তাকে উদ্ধারে পরিবারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত জীবিত ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, এই মৃত্যুর মধ্য দিয়ে গত পাঁচ দিনে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় পানিতে ডুবে সাত শিশুর প্রাণহানির ঘটনা ঘটল, যা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
নরসিংদীর রায়পুরায় মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার ৪৪ ঘণ্টা পর জেলের জালে ভেসে উঠেছে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মরদেহ। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে উপজেলার হাইরমারা ইউনিয়নের মনিপুরা ঘাট এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত কিশোর ইয়াসিন সরকার ওরফে দীপু (১৬) উপজেলার চান্দেরকান্দি ইউনিয়নের দাইরেরপাড় এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার মা ও বোনের সঙ্গে মামার বাড়িতে বেড়াতে যায় ইয়াসিন। পরদিন শনিবার দুপুরে কয়েকজন সমবয়সীর সঙ্গে মনিপুরা ঘাটে মেঘনা নদীতে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে নদীর মাঝামাঝি ডুবে থাকা একটি কাঠের সেতুর দিকে যাওয়ার সময় প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে পানিতে তলিয়ে যায় সে।
ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা, স্বজন এবং ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা দীর্ঘ সময় উদ্ধার অভিযান চালান। পরে ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলও অভিযানে যোগ দিলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত ইয়াসিনের কোনো সন্ধান মেলেনি। রোববারও স্বজনরা নৌকা নিয়ে দিনভর নদীতে খোঁজ চালান, কিন্তু তাতেও সফল হননি।
অবশেষে সোমবার সকালে স্থানীয় কয়েকজন জেলের জালে ইয়াসিনের মরদেহ আটকা পড়ে। পরে তারা বিষয়টি পরিবারকে জানালে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।
খবর পেয়ে রায়পুরা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহতের মামা আবু সায়েম বলেন, একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে ইয়াসিনের বাবা-মা ভেঙে পড়েছেন। তাকে উদ্ধারে পরিবারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত জীবিত ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, এই মৃত্যুর মধ্য দিয়ে গত পাঁচ দিনে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় পানিতে ডুবে সাত শিশুর প্রাণহানির ঘটনা ঘটল, যা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন