তানজিদ হাসান তামিমের দারুণ অপরাজিত ইনিংসে ভর করে জিম্বাবুয়েকে ৪ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ব্যাট হাতে উজ্জ্বল পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরা ও সিরিজসেরা—দুই পুরস্কারই জিতেছেন এই ওপেনার।
বুলাওয়েতে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান সংগ্রহ করে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন মায়ার্স, আর বেনেট যোগ করেন ৪৭ রান। বাংলাদেশের হয়ে সাইফউদ্দিন দুটি উইকেট নেন, আর মেহেদী, রিশাদ ও সাকলাইন একটি করে উইকেট শিকার করেন।
১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই সাইফ হাসানের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর তানজিদ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমনের ৫৫ রানের জুটি দলকে এগিয়ে নেয়। ইমন ২২ রান করে ফিরলেও তানজিদ নিজের দায়িত্ব ধরে রাখেন।
মাঝে অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় ২৪ রানের কার্যকর ইনিংস খেললেও শেষদিকে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে তানজিদ হাসান শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। তিনি ৫৮ বলে ৬৬ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেন।
জিম্বাবুয়ের হয়ে রিচার্ড এনগারাভা, ব্র্যাড ইভান্স ও সিকান্দার রাজা দুটি করে উইকেট নেন। তবে তাদের বোলিং বাংলাদেশের জয় ঠেকাতে পারেনি।
এই জয়ের মাধ্যমে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নেয় টাইগাররা। সিরিজজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে তানজিদ হাসান তামিম হন ম্যাচসেরা ও সিরিজসেরা।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
তানজিদ হাসান তামিমের দারুণ অপরাজিত ইনিংসে ভর করে জিম্বাবুয়েকে ৪ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ব্যাট হাতে উজ্জ্বল পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরা ও সিরিজসেরা—দুই পুরস্কারই জিতেছেন এই ওপেনার।
বুলাওয়েতে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান সংগ্রহ করে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন মায়ার্স, আর বেনেট যোগ করেন ৪৭ রান। বাংলাদেশের হয়ে সাইফউদ্দিন দুটি উইকেট নেন, আর মেহেদী, রিশাদ ও সাকলাইন একটি করে উইকেট শিকার করেন।
১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই সাইফ হাসানের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর তানজিদ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমনের ৫৫ রানের জুটি দলকে এগিয়ে নেয়। ইমন ২২ রান করে ফিরলেও তানজিদ নিজের দায়িত্ব ধরে রাখেন।
মাঝে অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় ২৪ রানের কার্যকর ইনিংস খেললেও শেষদিকে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে তানজিদ হাসান শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। তিনি ৫৮ বলে ৬৬ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেন।
জিম্বাবুয়ের হয়ে রিচার্ড এনগারাভা, ব্র্যাড ইভান্স ও সিকান্দার রাজা দুটি করে উইকেট নেন। তবে তাদের বোলিং বাংলাদেশের জয় ঠেকাতে পারেনি।
এই জয়ের মাধ্যমে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নেয় টাইগাররা। সিরিজজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে তানজিদ হাসান তামিম হন ম্যাচসেরা ও সিরিজসেরা।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন