বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের সক্ষমতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং এবং ইউরোপের এয়ারবাস—উভয় প্রতিষ্ঠানের উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, দেশের চাহিদা বিবেচনায় বোয়িং ও এয়ারবাস—দুই ধরনের উড়োজাহাজই প্রয়োজন। তাই ভবিষ্যতে উভয় কোম্পানির বিমান কেনা হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ সিদ্ধান্ত কোনো বিদেশি চাপের ফল নয়। বরং দেশের স্বার্থ, বেসামরিক বিমান চলাচলের উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনা করেই সরকার এগোচ্ছে। তার ভাষায়, বর্তমান সরকার একদিকে ব্যয় সাশ্রয়ের নীতি অনুসরণ করছে, অন্যদিকে প্রয়োজনীয় খাতে বিনিয়োগও অব্যাহত রাখছে।
তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগ বা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সরকার কোনো নির্দিষ্ট দেশকে বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে না। সব সিদ্ধান্তই বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে বাংলাদেশ এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার লক্ষ্যে একটি যৌথ ঘোষণাপত্রে সই করে। পরে ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণে মিক্সড ফ্লিট বা বোয়িং-এয়ারবাস উভয় ধরনের উড়োজাহাজ অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও সরকারের আগ্রহের কথা সম্প্রতি বিভিন্ন কূটনৈতিক বৈঠকে উঠে এসেছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের সক্ষমতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং এবং ইউরোপের এয়ারবাস—উভয় প্রতিষ্ঠানের উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, দেশের চাহিদা বিবেচনায় বোয়িং ও এয়ারবাস—দুই ধরনের উড়োজাহাজই প্রয়োজন। তাই ভবিষ্যতে উভয় কোম্পানির বিমান কেনা হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ সিদ্ধান্ত কোনো বিদেশি চাপের ফল নয়। বরং দেশের স্বার্থ, বেসামরিক বিমান চলাচলের উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনা করেই সরকার এগোচ্ছে। তার ভাষায়, বর্তমান সরকার একদিকে ব্যয় সাশ্রয়ের নীতি অনুসরণ করছে, অন্যদিকে প্রয়োজনীয় খাতে বিনিয়োগও অব্যাহত রাখছে।
তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগ বা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সরকার কোনো নির্দিষ্ট দেশকে বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে না। সব সিদ্ধান্তই বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে বাংলাদেশ এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার লক্ষ্যে একটি যৌথ ঘোষণাপত্রে সই করে। পরে ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণে মিক্সড ফ্লিট বা বোয়িং-এয়ারবাস উভয় ধরনের উড়োজাহাজ অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও সরকারের আগ্রহের কথা সম্প্রতি বিভিন্ন কূটনৈতিক বৈঠকে উঠে এসেছে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন