কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় নিখোঁজের পাঁচ দিন পর বাদশা সেখ (৪০) নামে এক নৈশপ্রহরীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেলে চাপড়া ইউনিয়নের উত্তরপাড় সাঁওতা এলাকার মরা কালিগঙ্গা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পরিবার জানায়, বাদশা সেখ রাতে নদীতে মাছ পাহারার কাজ করতেন। পাঁচ দিন আগে কর্মস্থলে যাওয়ার পর আর বাড়ি ফেরেননি। বিষয়টি স্বাভাবিক ভেবে প্রথমে তারা কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেননি। পরে স্থানীয় এক নারী নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।
নিহতের স্ত্রী দাবি করেছেন, পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে রাখা হয়েছে। স্থানীয়দেরও ধারণা, মাছ পাহারা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটতে পারে।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, মরদেহটি অর্ধগলিত হওয়ায় প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় নিখোঁজের পাঁচ দিন পর বাদশা সেখ (৪০) নামে এক নৈশপ্রহরীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেলে চাপড়া ইউনিয়নের উত্তরপাড় সাঁওতা এলাকার মরা কালিগঙ্গা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পরিবার জানায়, বাদশা সেখ রাতে নদীতে মাছ পাহারার কাজ করতেন। পাঁচ দিন আগে কর্মস্থলে যাওয়ার পর আর বাড়ি ফেরেননি। বিষয়টি স্বাভাবিক ভেবে প্রথমে তারা কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেননি। পরে স্থানীয় এক নারী নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।
নিহতের স্ত্রী দাবি করেছেন, পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে রাখা হয়েছে। স্থানীয়দেরও ধারণা, মাছ পাহারা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটতে পারে।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, মরদেহটি অর্ধগলিত হওয়ায় প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন