কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের চরগোরকমন্ডল এলাকায় বন্যার পানির তোড়ে ভেঙে যাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ কালভার্ট চার বছর পার হলেও পুনর্নির্মাণ করা হয়নি। এতে প্রায় দেড় হাজার পরিবারের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে শিক্ষার্থী, কৃষক, রোগী ও কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয়দের জানান, প্রায় চার বছর আগে ধরলা নদীর প্রবল স্রোতে কালভার্টটি ধসে পড়ে এবং সড়কের প্রায় ১৫০ ফুট অংশ ভেঙে বড় গর্তে পরিণত হয়। এরপর থেকে ওই এলাকার সঙ্গে উপজেলা সদরের যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি।
বর্তমানে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ভ্যানসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। বাধ্য হয়ে এলাকাবাসীকে বিকল্প দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। বর্ষাকালে অনেকেই কোমরসমান পানি পেরিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করেন। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম, কৃষকদের ফসল পরিবহন এবং জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে। এ বিষয়ে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলারা আক্তার বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের চরগোরকমন্ডল এলাকায় বন্যার পানির তোড়ে ভেঙে যাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ কালভার্ট চার বছর পার হলেও পুনর্নির্মাণ করা হয়নি। এতে প্রায় দেড় হাজার পরিবারের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে শিক্ষার্থী, কৃষক, রোগী ও কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয়দের জানান, প্রায় চার বছর আগে ধরলা নদীর প্রবল স্রোতে কালভার্টটি ধসে পড়ে এবং সড়কের প্রায় ১৫০ ফুট অংশ ভেঙে বড় গর্তে পরিণত হয়। এরপর থেকে ওই এলাকার সঙ্গে উপজেলা সদরের যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি।
বর্তমানে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ভ্যানসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। বাধ্য হয়ে এলাকাবাসীকে বিকল্প দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। বর্ষাকালে অনেকেই কোমরসমান পানি পেরিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করেন। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম, কৃষকদের ফসল পরিবহন এবং জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে। এ বিষয়ে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলারা আক্তার বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন