নওগাঁর পোরশা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের বড়রনাইল মরাকাটা গ্রামের কৃষক জুয়েল বাবু নতুন পদ্ধতিতে করলা চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি অনুসরণ করে কম খরচে অধিক ফলনের প্রত্যাশায় তিনি এবার ১০ কাঠা জমিতে করলার আবাদ করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে অল্প পরিসরে করলা চাষ করে আশানুরূপ ফলন পান জুয়েল বাবু। সেই সফলতার ধারাবাহিকতায় চলতি মৌসুমে তিনি আরও বড় পরিসরে ১০ কাঠা জমিতে আধুনিক পদ্ধতিতে করলা চাষ শুরু করেন। জমি প্রস্তুত, বীজ, সার, সেচ ও পরিচর্যাসহ তাঁর মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৮ হাজার টাকা।
বর্তমানে গাছগুলোতে ফুল ও করলা ধরতে শুরু করেছে। সবুজ-সতেজ গাছ এবং ফলনের অবস্থা দেখে কৃষক জুয়েল বাবু চলতি মৌসুমে ভালো উৎপাদন ও লাভের ব্যাপারে আশাবাদী।
কৃষক জুয়েল বাবু বলেন, “আগে অল্প জমিতে করলা চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছিলাম। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার নতুন পদ্ধতিতে ১০ কাঠা জমিতে চাষ করেছি। প্রায় ১৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বাজারদর অনুকূলে থাকলে সব খরচ উঠিয়ে ভালো লাভ করতে পারব বলে আশা করছি।”
এদিকে জুয়েল বাবুর সফল উদ্যোগ দেখে এলাকার অন্যান্য কৃষকরাও করলা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। অনেকেই তাঁর ক্ষেত পরিদর্শন করে আধুনিক পদ্ধতিতে করলা চাষের কৌশল সম্পর্কে জানতে চাইছেন।
কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সবজি চাষের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকের আয় বাড়ানো সম্ভব। জুয়েল বাবুর এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে। নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার ও পরিকল্পিত পরিচর্যার মাধ্যমে কৃষিতে সফলতা অর্জনের এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ইতিবাচক অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করেছে

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর পোরশা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের বড়রনাইল মরাকাটা গ্রামের কৃষক জুয়েল বাবু নতুন পদ্ধতিতে করলা চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি অনুসরণ করে কম খরচে অধিক ফলনের প্রত্যাশায় তিনি এবার ১০ কাঠা জমিতে করলার আবাদ করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে অল্প পরিসরে করলা চাষ করে আশানুরূপ ফলন পান জুয়েল বাবু। সেই সফলতার ধারাবাহিকতায় চলতি মৌসুমে তিনি আরও বড় পরিসরে ১০ কাঠা জমিতে আধুনিক পদ্ধতিতে করলা চাষ শুরু করেন। জমি প্রস্তুত, বীজ, সার, সেচ ও পরিচর্যাসহ তাঁর মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৮ হাজার টাকা।
বর্তমানে গাছগুলোতে ফুল ও করলা ধরতে শুরু করেছে। সবুজ-সতেজ গাছ এবং ফলনের অবস্থা দেখে কৃষক জুয়েল বাবু চলতি মৌসুমে ভালো উৎপাদন ও লাভের ব্যাপারে আশাবাদী।
কৃষক জুয়েল বাবু বলেন, “আগে অল্প জমিতে করলা চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছিলাম। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার নতুন পদ্ধতিতে ১০ কাঠা জমিতে চাষ করেছি। প্রায় ১৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বাজারদর অনুকূলে থাকলে সব খরচ উঠিয়ে ভালো লাভ করতে পারব বলে আশা করছি।”
এদিকে জুয়েল বাবুর সফল উদ্যোগ দেখে এলাকার অন্যান্য কৃষকরাও করলা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। অনেকেই তাঁর ক্ষেত পরিদর্শন করে আধুনিক পদ্ধতিতে করলা চাষের কৌশল সম্পর্কে জানতে চাইছেন।
কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সবজি চাষের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকের আয় বাড়ানো সম্ভব। জুয়েল বাবুর এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে। নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার ও পরিকল্পিত পরিচর্যার মাধ্যমে কৃষিতে সফলতা অর্জনের এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ইতিবাচক অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করেছে

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন