পঞ্চগড় সদর উপজেলার পশ্চিম মোলানী এলাকায় মাদক সেবনের অভিযোগে মো. মামুন (৩২) নামে এক যুবককে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে আরও ৭ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
রোববার (১৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পশ্চিম মোলানী গ্রামের মিজানুর রহমানের দোকানের সামনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে মামুনকে দণ্ড দেওয়া হয়। আদালত পরিচালনা করেন পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা সুলতানা।
জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পঞ্চগড় সদর থানার এসআই (নিরস্ত্র) চন্দন কুমার রায় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ওই এলাকায় উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মামুনকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আটক করা হয়।
অভিযানের সময় তার কাছ থেকে একটি প্লাস্টিকের কৌটায় আনুমানিক ৫ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। পরে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জব্দ করা গাঁজা ঘটনাস্থলেই বিনষ্ট করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযোগ পড়ে শোনানোর পর মামুন নিজের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। আদালত তার জবানবন্দি, সাক্ষীদের বক্তব্য ও উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করেন।
পরে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। মামুন অর্থদণ্ডের টাকা তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করেন।
দণ্ড কার্যকরের জন্য সাজা পরোয়ানামূলে তাকে পঞ্চগড় জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা সুলতানা বলেন, মাদক সেবন ও জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও প্রয়োজন।
.png)
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
পঞ্চগড় সদর উপজেলার পশ্চিম মোলানী এলাকায় মাদক সেবনের অভিযোগে মো. মামুন (৩২) নামে এক যুবককে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে আরও ৭ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
রোববার (১৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পশ্চিম মোলানী গ্রামের মিজানুর রহমানের দোকানের সামনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে মামুনকে দণ্ড দেওয়া হয়। আদালত পরিচালনা করেন পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা সুলতানা।
জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পঞ্চগড় সদর থানার এসআই (নিরস্ত্র) চন্দন কুমার রায় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ওই এলাকায় উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মামুনকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আটক করা হয়।
অভিযানের সময় তার কাছ থেকে একটি প্লাস্টিকের কৌটায় আনুমানিক ৫ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। পরে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জব্দ করা গাঁজা ঘটনাস্থলেই বিনষ্ট করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযোগ পড়ে শোনানোর পর মামুন নিজের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। আদালত তার জবানবন্দি, সাক্ষীদের বক্তব্য ও উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করেন।
পরে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। মামুন অর্থদণ্ডের টাকা তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করেন।
দণ্ড কার্যকরের জন্য সাজা পরোয়ানামূলে তাকে পঞ্চগড় জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা সুলতানা বলেন, মাদক সেবন ও জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও প্রয়োজন।
.png)
সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন