সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী তিন মাসের মধ্যে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, ঢাকা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ দাবি জানান।
আহমেদ আবু জাফর বলেন, গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিভিন্ন সরকারের নানা ধরনের টালবাহানা দেখেছেন তারা। এখন আর কোনো বিলম্ব নয়, সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কার্যকর আইন প্রণয়ন করতে হবে।
তিনি বলেন, গত ৮ আগস্ট কুমিল্লায় সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের বিষয়ে সরকারকে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আগামী নভেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে। এই সময়ের মধ্যে আইনটি প্রণয়ন না হলে আন্দোলনে যাওয়ার কোনো বিকল্প থাকবে না বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের পাশাপাশি সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা তৈরি এবং পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। সাংবাদিকতার পেশাগত মর্যাদা ও অস্তিত্ব রক্ষায় দ্রুত গণমাধ্যম কমিশন গঠন করে পুরো সাংবাদিকতা অঙ্গনকে ঢেলে সাজানোর আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাহিদ হোসেন। এতে ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকায় কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন।
সভায় জানানো হয়, চলতি আগস্ট মাসের মধ্যেই সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
.png)
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী তিন মাসের মধ্যে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, ঢাকা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ দাবি জানান।
আহমেদ আবু জাফর বলেন, গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিভিন্ন সরকারের নানা ধরনের টালবাহানা দেখেছেন তারা। এখন আর কোনো বিলম্ব নয়, সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কার্যকর আইন প্রণয়ন করতে হবে।
তিনি বলেন, গত ৮ আগস্ট কুমিল্লায় সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের বিষয়ে সরকারকে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আগামী নভেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে। এই সময়ের মধ্যে আইনটি প্রণয়ন না হলে আন্দোলনে যাওয়ার কোনো বিকল্প থাকবে না বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের পাশাপাশি সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা তৈরি এবং পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। সাংবাদিকতার পেশাগত মর্যাদা ও অস্তিত্ব রক্ষায় দ্রুত গণমাধ্যম কমিশন গঠন করে পুরো সাংবাদিকতা অঙ্গনকে ঢেলে সাজানোর আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাহিদ হোসেন। এতে ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকায় কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন।
সভায় জানানো হয়, চলতি আগস্ট মাসের মধ্যেই সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
.png)
সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন