উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নাগরিক সময় ডেস্ক : ||
সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দরসহ দেশটির একাধিক সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি। তাদের দাবি, জিজান অঞ্চলের একটি আগাম সতর্কতামূলক রাডার এবং জিজান বিমানবন্দরে থাকা একটি সামরিক পরিবহন বিমানও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।তবে এসব হামলার বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সোমবার (২ নভেম্বর) বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।এদিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন ইয়েমেনবিষয়ক জোট বাহিনী জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াদ অঞ্চলে দুটি ড্রোন শনাক্ত করার পর সেগুলো প্রতিহত করে ধ্বংস করা হয়েছে। জোট বাহিনীর মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি এ তথ্য নিশ্চিত করলেও ড্রোনগুলোর উৎস বা ঘটনার বিস্তারিত জানাননি।এর আগে ইয়েমেনে হুতিদের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার লক্ষ্যে অভিযান চালানোর কথা জানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। জোটের দাবি, হুতিদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কর্মসূচিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন স্থাপনা এবং সরঞ্জাম লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে।জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি বলেন, সৌদি আরব, ইয়েমেন এবং লোহিত সাগরের দক্ষিণাঞ্চলে নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হুতিদের সামরিক সক্ষমতা হ্রাস করা জরুরি। বেসামরিক মানুষ ও স্থাপনায় হামলা বন্ধ না করলে হুতিদের পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।অন্যদিকে, হুতিদের নিয়ন্ত্রণাধীন আল-মাসিরা টেলিভিশনের দাবি, সৌদি বিমান হামলায় হোদেইদা প্রদেশের বাজিল এলাকায় একটি তেল কোম্পানির স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে তিনজন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।একই প্রদেশে অবস্থিত হোদেইদা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অনুষদেও দুটি হামলার খবর দিয়েছে আল-মাসিরা টেলিভিশন। তবে ওই ঘটনায় হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার দাবি ঘিরে ইয়েমেন ও সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে হামলার লক্ষ্যবস্তু, ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়।সূত্র: রয়টার্স ও আলজাজিরা