উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নাগরিক সময় ডিজিটাল : ||
রাজধানীর ইসিবি চত্বরে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও এবং মিরপুরের রাড্ডা টিকাকেন্দ্রে অরাজকতা, অতর্কিত হামলা ও লুটপাটের ঘটনাকে বর্তমান সরকারের জন্য একটি ‘স্পষ্ট ওয়েক-আপ কল’ বা সতর্কবার্তা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে ড. আসিফ নজরুল এই মন্তব্য প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ও নেপথ্যে থাকা পরিকল্পনাকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান তিনি।বিবৃতিতে ঢাবির এই আইন অধ্যাপক উল্লেখ করেন, ‘সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও এবং মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি কেন্দ্রে হামলা ও লুটপাটের ঘটনাগুলো অত্যন্ত গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। এগুলো কেবল বিচ্ছিন্ন কোনো অপরাধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এ জাতীয় বেপরোয়া কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রের সামগ্রিক আইন ও কর্তৃত্বের প্রতি এক সরাসরি চ্যালেঞ্জ।’অপরাধ দমনে সরকারের কঠোর ভূমিকা প্রত্যাশা করে তিনি আরও বলেন, ‘মাঠপর্যায়ের অপরাধীদের পাশাপাশি এদের পেছনে থেকে যারা কলকাঠি নাড়ছে, সেই নেপথ্য কারিগরদেরও গ্রেপ্তার করতে হবে। অপরাধ প্রতিরোধে বাস্তবভিত্তিক কিছু সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে, কিন্তু অপরাধ ঘটে যাওয়ার পর আসামিদের শনাক্ত ও বিচারে সোপর্দ করতে না পারার পেছনে কোনো অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়।’ অপরাধী যে দলের বা মতেরই হোক না কেন, সরকারকে এখনই জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করার পরামর্শ দেন তিনি।উল্লেখ্য, গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগিনি প্রপার্টিজে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে একদল দুর্বৃত্ত হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। পরবর্তীতে সালমান মুক্তাদির নিজেই ভিডিও প্রকাশ করে অভিযোগ করেন যে, চাঁদা না দেওয়ায় এই সন্ত্রাসী হামলা ও লুটপাট চালানো হয়েছে।অন্যদিকে, গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জন মুখোশধারী অতর্কিত হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট সম্পন্ন করে। পরপর দুটি সংবেদনশীল স্থানে হামলার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।