উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সঞ্জু বনিক সৌরভ :, পঞ্চগড় প্রতিনিধি ||
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং স্থানীয় এক নেতার সম্মানহানির অভিযোগে চরম বিতর্ক ও উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে। কোমলমতি মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে মানববন্ধনে নামানোর অভিযোগ এনে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পানিডুবি বাজারে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ময়জউদ্দিন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।সংবাদ সম্মেলনে ময়জউদ্দিন দাবি করেন, রাজনৈতিকভাবে তাঁকে ও তাঁর দলকে হেয়প্রতিপন্ন করতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। তিনি জানান, স্থানীয় পানিডুবি দারুচ্ছুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার একটি জমি সংক্রান্ত বিরোধে তাঁকে মধ্যস্থতা ও সালিশি বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। সেখানে সবার সম্মতিক্রমে জমিটি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও পরে ষড়যন্ত্রীরা মাদ্রাসার সভাপতি ফরহাদ হোসেন ও ভারপ্রাপ্ত সুপার লাভলী বেগমের সহায়তায় শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে সোমবার তাঁর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করায়। ময়জউদ্দিন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান।অন্যদিকে, জমি দখলের চেষ্টার পাল্টা অভিযোগ তুলেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। মাদ্রাসার সভাপতি ফরহাদ হোসেন অভিযোগ করেন, ১৯৮৩ সালে ময়জউদ্দিনের বাবা মহিরউদ্দিন জমিটি মাদ্রাসার নামে দান করেছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে জমিটি প্রতিষ্ঠানের ভোগদখলে রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি ময়জউদ্দিনের নেতৃত্বে সেই জমিতে মাটি ফেলে ও ঘরে তালা ঝুলিয়ে দখলের চেষ্টা চালানো হয়। এরই প্রতিবাদে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকেরা সোচ্চার হয়ে সোমবার জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেন। তবে সার্বিক বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি ভারপ্রাপ্ত সুপার লাভলী বেগম।জমি সংক্রান্ত এমন জটিল ও বিতর্কিত পরিস্থিতিতে বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউল ইসলাম জানান, মাদ্রাসার পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েই সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলেই জমির প্রকৃত মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যাবে।