উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নাগরিক সময় ডেস্ক : ||
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, ইরান তাঁর এক ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছিল। তবে কথিত ওই হামলা কখন, কোথায় এবং তাঁর কোন ছেলেকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল—সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি তিনি।সোমবার (২৪ আগস্ট) ইসরায়েলের রক্ষণশীল সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ দাবি করেন নেতানিয়াহু। তাঁর বক্তব্য উদ্ধৃত করে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য জেরুজালেম পোস্ট।নেতানিয়াহু বলেন, ইরান তাঁর এক ছেলেকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল এবং তাকে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো অতিরিক্ত তথ্য বা প্রমাণ প্রকাশ করেননি।নেতানিয়াহুর এমন বক্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন তাঁর ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক জোট আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের জনমত জরিপে পিছিয়ে রয়েছে। আগামী অক্টোবরে ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।ইসরায়েলের সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নিরাপত্তা নিয়েও একই সাক্ষাৎকারে কথা বলেন নেতানিয়াহু। আইজেনকোটকে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়ে তিনি বলেন, এটি কোনো বিলাসিতা নয়। তাঁর মতে, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকলে ইরানিরা সফল হওয়ার সুযোগ পাবে।আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদে নেতানিয়াহুর অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আইজেনকোটের নাম আলোচনায় রয়েছে।জেরুজালেম পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর দুই ছেলে ও এক মেয়ে। গত জুলাইয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাঁর দুই ছেলে ও স্ত্রীকে বাড়তি ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।নেতানিয়াহুর বড় ছেলে ইয়ার নেতানিয়াহু বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে অবস্থান করছেন। তাঁর নিরাপত্তায় ইসরায়েলি করদাতাদের অর্থ ব্যয় নিয়েও দেশটিতে বিতর্ক রয়েছে।এদিকে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইরান। খামেনি নিহত হওয়ার পর তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ঘোষণা করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।দায়িত্ব নেওয়ার পর মোজতবা খামেনিকে প্রকাশ্যে খুব কমই দেখা গেছে। তবে তাঁর বাবার দাফন উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি সাবেক সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন।