উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোঃ মমিন আলী , নওগাঁ প্রতিনিধি : ||
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় মোঃ সাহিদ হোসেন নামে এক বিকাশ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে প্রতারণা, চড়া সুদ, গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণ ও মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ তুলে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সাহিদ হোসেন। তাঁর অভিযোগ, একটি মহল তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় করা এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে।সাহিদ হোসেন বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনে যেসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে তাঁর বাস্তব কর্মকাণ্ডের কোনো মিল নেই। তাঁর দাবি, ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ তৈরি করে সংবাদমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।তিনি আরও দাবি করেন, বিকাশের ওটিপি নিয়ে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণ, অর্থ আত্মসাৎ কিংবা চড়া সুদের কারবারের মতো যে অভিযোগ করা হয়েছে, তার পক্ষে যথাযথ প্রমাণ নেই। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বা তাঁর পক্ষ থেকে করা বিভিন্ন মামলার বিষয়ও সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রেক্ষাপটের বলে দাবি করেন তিনি।সাহিদের ভাষ্য, “আমাকে সামাজিক ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এসব অভিযোগ করছে। আমাকে ফাঁসানোর জন্য নানা ধরনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রকাশিত অভিযোগগুলো সঠিকভাবে যাচাই না করে প্রচার করা হলে আমার সামাজিক সম্মান ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, মামলার কাগজপত্র, আর্থিক লেনদেন ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য যাচাই করে সত্যতা নির্ধারণ করা উচিত। তিনি এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।এদিকে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা এবং অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে মিথ্যা অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।সাহিদ হোসেন জানান, তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচারের ঘটনায় প্রয়োজন হলে তিনি আইনগত পদক্ষেপ নেবেন।প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য ও দাবির ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাচাই সাপেক্ষ