উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নাগরিক সময় ডিজিটাল : ||
বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহু প্রতীক্ষিত বদলি আবেদন অনলাইন প্রক্রিয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) শিক্ষক বদলির এ বিজ্ঞপ্তি ও ১৪ দফা দিকনির্দেশনা প্রকাশ করে। আগ্রহী শিক্ষকেরা আগামী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে তাদের আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা ২০২৩ (সংশোধিত)’ অনুসরণ করে টেলিটকের কারিগরি সহযোগিতায় অটোমেটেড সফটওয়্যারের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সহকারী প্রতিষ্ঠানপ্রধান, প্রদর্শক ও ট্রেড ইনস্ট্রাক্টরসহ সব এমপিওভুক্ত শিক্ষক নির্ধারিত পোর্টালে (http://ngttdshe.teletalk.com.bd) নিজ ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আবেদন জমা দিতে পারবেন।আবেদনের প্রধান প্রধান শর্তাবলীপছন্দের সুযোগ: একজন শিক্ষক তার পছন্দক্রম অনুযায়ী সর্বোচ্চ তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বদলির আবেদন করতে পারবেন।জেলা ও বিভাগভিত্তিক যোগ্যতা: শিক্ষককে তার চাকরিতে আবেদনকালে উল্লেখিত নিজ জেলায় আবেদনের সুযোগ দেওয়া হবে; নিজ জেলায় পদ খালি না থাকলে নিজ বিভাগের অন্যান্য জেলায় আবেদন করা যাবে।স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থল বা নিজ জেলা: স্বামী বা স্ত্রী সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকলে তাদের নিজ জেলা বা কর্মস্থলে বদলির আবেদন করা যাবে।চাকরির ন্যূনতম সময়সীমা: প্রথম যোগদানের পর অন্তত ২ বছর চাকরি পূর্ণ হতে হবে। এছাড়া একবার বদলি হয়ে নতুন স্থানে যোগ দিলে সেখানেও ন্যূনতম ২ বছর চাকরির পর পরবর্তী বদলির আবেদন করা যাবে।আবেদনে অযোগ্যতা: কারো বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, সাময়িক বরখাস্ত কিংবা স্টপ পেমেন্ট আদেশ কার্যকর থাকলে তিনি আবেদনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।টিএ/ডিএ ও অন্যান্য: বদলিকৃত শিক্ষকদের কোনো প্রকার টিএ/ডিএ দেওয়া হবে না এবং বদলির আবেদনকে অধিকার হিসেবে দাবি করা যাবে না। ভুল বা অসত্য তথ্য দিলে তা শাস্তিমূলক অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে যোগ্যতা যাচাই শেষে কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর পদায়নের আদেশ জারি করা হবে।