উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ :, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : ||
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ও নারায়ণপুর ইউনিয়নের বাখরআলি ও আলিমনগর এলাকায় বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বালুমহালের ঠিকাদার মো. আজিজুল ইসলামের অফিস ও বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ইজারাকৃত পদ্মা নদীর বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়। মামলা দুটি সদর থানার ৪৬ ও ৪৭ নম্বর, তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৬।মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সইবুরের নেতৃত্বে চার সদস্যের পুলিশ দল বাখরআলি ও আলিমনগর এলাকায় যায়। এ সময় প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন মানুষ জড়ো হয়ে পুলিশকে আসামি গ্রেপ্তারে বাধা দেয় বলে জানা গেছে।এরপর আজিজুল ইসলামের অফিস ও বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা। তাদের দাবি, হামলাকারীরা বাড়িতে ঢুকে আসবাবপত্র ও বিভিন্ন মালামাল তছনছ করে এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।আজিজুল ইসলামের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আত্মগোপনে থাকা এক আওয়ামী লীগ নেতার নির্দেশে হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।পরিবারের সদস্যদের আরও দাবি, ঘটনার পর তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।স্থানীয়দের একটি অংশ বলছে, বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলা নিয়ে এলাকায় আগে থেকেই ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছিল। সেই বিরোধের জেরেই বৃহস্পতিবার রাতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের ধারণা।এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ইনচার্জ মো. একরামুল হোসাইন জানান, ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।