উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোহাম্মদ সাদী :, কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি ||
কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া ও কদমতলী এলাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল ও ফার্মেসিতে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে মোট ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক।অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মোকাদ্দেস, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক মো. জাহিদুল ইসলাম এবং দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল।অভিযানকালে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ফার্মেসিতে নানা ধরনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা ধরা পড়ে। এর মধ্যে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ঝিলমিল হাসপাতালকে ২ লাখ টাকা এবং রেজিয়া তালেব হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ, ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ওষুধ রাখা, অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টার সংরক্ষণ না করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী চুনকুটিয়ার সূচনা ড্রাগ হাউজকে ৩০ হাজার টাকা, এশিয়া মডেল ফার্মেসিকে ২০ হাজার টাকা এবং কদমতলী শাখার লাজ ফার্মাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে চিকিৎসাসেবায় অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, পরিবেশগত সমস্যা এবং অপমৃত্যুসহ নানা অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়মিতভাবে মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নানা অনিয়মও উঠে আসছে।উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক জানান, কেরানীগঞ্জে নামে-বেনামে অনেক হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার যত্রতত্র গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অনিয়মের কারণে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।তিনি বলেন, ঝিলমিল হাসপাতাল ও রেজিয়া তালেব হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটারসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পাওয়া যায়। ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল হলেও প্রয়োজনের তুলনায় চিকিৎসক ও নার্সের সংখ্যা কম ছিল। এছাড়া রোগীদের কাছ থেকে চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়ও পরিলক্ষিত হয়েছে। এসব অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।ইউএনও আরও বলেন, কেরানীগঞ্জ উপজেলায় যত্রতত্রভাবে এবং নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে কোনো হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না। চিকিৎসাসেবায় অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও ভোক্তা স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।