উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
কুলেন্দু শেখর দাস :, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : ||
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে তিনটি অসহায় পরিবারের জমি দখল, হামলা ও মামলা তুলে নিতে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এসব ঘটনার প্রতিবাদ এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেল ৪টায় সুনামগঞ্জ শহরের একটি স্থানীয় পত্রিকার কার্যালয়ে তিনটি পরিবারের উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাঘমারা ও নতুনপাড়া এলাকার ভুক্তভোগী মো. আমীর আলী জাকেরীন।লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, বাঘমারা এলাকায় তার রেকর্ডভুক্ত ও ক্রয়কৃত জমি রয়েছে। ওই জমি থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে আশরাফ হোসেনসহ কয়েকজন তার বাড়িতে প্রবেশ করে গাছ কাটাসহ পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান এবং ঘরে থাকা নগদ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।এ ঘটনায় আশরাফ হোসেনসহ সংশ্লিষ্টদের আসামি করে বিশ্বম্ভরপুর জোনে আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।অন্য ভুক্তভোগী হাজেরা খাতুন অভিযোগ করেন, তিনি ২০২৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বাঘমারা মৌজায় জমি কিনে বসতঘর নির্মাণ করেন। এরপর হাদিছ মিয়াসহ কয়েকজন তাকে ওই জায়গা থেকে উচ্ছেদের হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় বিশ্বম্ভরপুর থানায় একটি মামলা দায়েরের কথাও জানান হাজেরা।এ ছাড়া বাঘমারা গ্রামের আরেক বাসিন্দা মমতা বেগমের বাড়িতে হামলার অভিযোগও করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। এ ঘটনায়ও থানায় মামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা আরও অভিযোগ করেন, দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নিতে তাদের ওপর চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তারা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন বলে জানান।তাদের দাবি, অভিযোগগুলো তদন্ত করে হামলা ও হুমকির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানান তারা।সংবাদ সম্মেলনে হাজেরা খাতুন, মমতা খাতুনসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আশরাফ আলী, হাদিছ মিয়া বা তাদের পক্ষের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ।