উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
কুলেন্দু শেখর দাস :, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : ||
সুনামগঞ্জ জেলা শহরের সঙ্গে সদর উপজেলার উত্তরপাড়ের কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষের নৌপথে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম চাঁদনী খেয়াঘাট। প্রতিদিন এই ঘাট দিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষ সুনামগঞ্জ শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করেন। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ঘাট এলাকায় নিজ অর্থায়নে একটি অস্থায়ী যাত্রীছাউনি নির্মাণ করেছেন সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক ও সমাজসেবক মো. সুজন মাহমুদ।সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে সুরমা নদীর তীরবর্তী চাঁদনী খেয়াঘাটে টিনশেডের এই অস্থায়ী যাত্রীছাউনির উদ্বোধন করা হয়। জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেন ও উদ্যোক্তা সুজন মাহমুদ যৌথভাবে এর উদ্বোধন করেন।এ সময় স্থানীয়দের মধ্যে মো. শফিক মিয়া, মো. আনুল মিয়া, মো. আফাজ মিয়া, মণির মিয়া, দুলাল, আলী আফতর ও বাবলু মিয়াসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।উদ্যোক্তা সুজন মাহমুদ বলেন, চাঁদনীঘাট দিয়ে উত্তরপাড়ের তিনটি ইউনিয়ন এবং দোয়ারাবাজার উপজেলার আরও দুটি ইউনিয়নের মানুষ নিয়মিত নৌকা পারাপার করেন। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রতিদিন এই ঘাট ব্যবহার করেন।তিনি বলেন, খেয়া পারাপারের অপেক্ষায় যাত্রীদের দীর্ঘ সময় রোদ-বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। বিশেষ করে নারী, শিক্ষার্থী ও অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্ভোগ বেশি হয়। যাত্রীদের এই কষ্টের কথা বিবেচনা করেই ব্যক্তিগত অর্থায়নে অস্থায়ী যাত্রীছাউনি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।সুজন মাহমুদ আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য চাঁদনীঘাটে একটি স্থায়ী ও আধুনিক যাত্রীছাউনি নির্মাণ প্রয়োজন। এ জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুলের মাধ্যমে সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।স্থানীয়রা জানান, অস্থায়ী যাত্রীছাউনিটি নৌকা পারাপারের অপেক্ষায় থাকা মানুষের রোদ-বৃষ্টি থেকে সাময়িক স্বস্তি দেবে। তবে ঘাটের যাত্রীদের স্থায়ী সুবিধার জন্য দ্রুত একটি স্থায়ী যাত্রীছাউনি নির্মাণের দাবি তাদের।