উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোঃ মমিন আলী , নওগাঁ প্রতিনিধি : ||
নওগাঁ সদর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়নের নামা নুরপুর এলাকায় পুত্রবধূকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুর আবু বক্করের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, শাশুড়ি বাড়িতে না থাকা এবং স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে তাকে রাতে ডেকে নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ ও হয়রানি করা হয়েছে।অভিযোগের বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হওয়ার পর সালিশ-বৈঠকের মাধ্যমে তা মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ দায়েরের তথ্য পাওয়া যায়নি।ভুক্তভোগীর অভিযোগভুক্তভোগীর দাবি, প্রায় ১৫ থেকে ২০ দিন আগে রাতে মাথায় তেল দেওয়ার কথা বলে তাকে ডেকে নেন শ্বশুর। একপর্যায়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ করা হয়। এতে তিনি বাধা দিয়ে নিজের কক্ষে চলে যান।কয়েকদিন পর একইভাবে রাতে ডেকে নিয়ে আবারও হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি কাউকে না বলার জন্যও তাকে বলা হয়েছিল বলে দাবি তার।ভুক্তভোগী জানান, ঘটনার বিষয়টি তিনি স্বামী, শাশুড়ি ও নিজের মাকে জানিয়েছেন। বর্তমানে স্বামীর পরামর্শে তিনি মায়ের বাড়িতে অবস্থান করছেন।স্থানীয়দের বক্তব্যস্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল খালেক জানান, ভুক্তভোগীর কাছ থেকেই তারা অভিযোগের বিষয়টি জানতে পেরেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এর আগেও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ থাকার কথা তিনি শুনেছেন।তিনি বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।অভিযোগ অস্বীকার অভিযুক্তেরতবে পুত্রবধূর আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আবু বক্কর। তাঁর দাবি, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে এবং তিনি এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটাননি।সালিশে মীমাংসার উদ্যোগঅভিযোগের বিষয়টি নিয়ে শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্থানীয়ভাবে সালিশ-বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়। স্থানীয় যুবদল নেতা রাসেল ও একজন ইউপি সদস্য সালিশের দায়িত্ব নিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।তবে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি কীভাবে নিষ্পত্তি করা হবে কিংবা ভুক্তভোগী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ পাবেন কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।স্থানীয়দের মতে, যৌন হয়রানি ও ধর্ষণচেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে শুধু স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা না করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ দায়েরের তথ্য পাওয়া যায়নি।