উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সঞ্জু বনিক সৌরভ :, পঞ্চগড় প্রতিনিধি ||
পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সুষ্ঠু তদন্ত, ন্যায়বিচার এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন মজিবর রহমান নামে এক কৃষক।শুক্রবার দুপুরে হাড়িভাসা ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মজিবর রহমান অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিপক্ষের লোকজন তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। এতে পরিবারের সবাই নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।মজিবর রহমানের অভিযোগ, গত ৩ জুন পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ও পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় তিনি, তার স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ে আহত হন। পরে তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়। এ ঘটনায় তিনি পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা করেন।সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, মামলায় আব্দুস কুদ্দুস, আব্দুল হোসেন, আলম হোসেন, নুরজামাল, আব্দুল হামিদ ওরফে লাড্ডুসহ মোট নয়জনকে আসামি করা হয়েছে।মজিবর রহমান আরও অভিযোগ করেন, হামলায় পরিবারের সদস্যরা গুরুতরভাবে আহত হলেও চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রতিবেদনে তাদের আঘাতের বিষয়গুলো যথাযথভাবে উল্লেখ করা হয়নি। বিশেষ করে তার মেয়ের গলায় আঘাতের চিহ্ন থাকলেও মেডিকেল সার্টিফিকেটে তা উল্লেখ করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। এছাড়া তার ও পরিবারের অন্য সদস্যদের আঘাতের ক্ষেত্রেও ‘Simple Injury’ উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।তার দাবি, ওই মেডিকেল সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে মামলার আসামিরা আদালত থেকে জামিন পান। গত ৪ আগস্ট জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকেই মামলা তুলে নিতে চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মজিবর রহমান বলেন, নিরাপত্তাহীনতার কারণে পরিবারের সদস্যরা নিজ বাড়িতেও স্বাভাবিকভাবে বসবাস করতে পারছেন না। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি ন্যায়বিচার এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।এ বিষয়ে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাসুদ হাসানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।অন্যদিকে পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মখলেছুর রহমান বলেন, মামলা দায়েরের পর থেকেই পুলিশের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মামলার বাদী কোনো ধরনের হুমকি বা ভয়ভীতির মধ্যে থাকলে থানায় জানালে অথবা লিখিত অভিযোগ দিলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।