উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নাগরিক সময় ডেস্ক : ||
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার বড় টুর্নামেন্টগুলোতে বেসরকারি বিনিয়োগ আনার পরিকল্পনা ঘিরে ইউরোপের ফুটবল মহলে তৈরি হয়েছে তীব্র অসন্তোষ।ফিফা ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই)’ নামে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের একটি নতুন প্রতিষ্ঠান গঠনের পরিকল্পনা করেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির ২০ শতাংশ মালিকানা বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে দেওয়ার কথা রয়েছে। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ফিফার ২১১ সদস্য দেশের ভোটে এ প্রস্তাবের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।তবে এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা। তারা জানিয়েছে, ফিফার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে পারে তারা। উয়েফার পাশাপাশি কনকাকাফের সদস্য দেশগুলোর বড় অংশও এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে।ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনসহ ইউরোপের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাও উয়েফার অবস্থানের সঙ্গে একমত হয়েছে। তাদের অভিযোগ, ফিফার এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পর্যাপ্ত আলোচনা ও পরামর্শ করা হয়নি। বিশেষ করে ফিফার নিজস্ব কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের অভাব নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।২০১৬ সালে ফিফা সভাপতি নির্বাচিত হন ইনফান্তিনো। আগামী মার্চে চতুর্থ মেয়াদের জন্য নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার। এতদিন ধারণা করা হচ্ছিল, তিনি সহজেই পুনর্নির্বাচিত হবেন। কিন্তু নতুন এই বিতর্কের পর পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে।ফুটবল অঙ্গনে এখন আলোচনা চলছে, ইনফান্তিনোর নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করার মতো কেউ সামনে আসবেন কি না। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কাতারের নাসের আল-খেলাইফির নাম আলোচনায় এলেও তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, তিনি ফিফা সভাপতির পদে আগ্রহী নন।বিশেষজ্ঞদের মতে, ফিফার মতো বড় প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব পরিবর্তনের ঘটনা খুবই বিরল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইনফান্তিনোর অবস্থান আগের তুলনায় কঠিন হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, ফুটবলের ভবিষ্যৎ পরিচালনায় আরও স্বচ্ছতা ও ক্ষমতার ভারসাম্য প্রয়োজন।এখন মূল প্রশ্ন—ইনফান্তিনো কি বিরোধিতা সামলে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে পারবেন, নাকি ফিফায় শুরু হবে নতুন নেতৃত্বের পথচলা?