উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : ||
হবিগঞ্জে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করতে গিয়ে পথে চার দফায় পুলিশের বাধার মুখে পড়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহর। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা অপেক্ষা ও আলোচনা শেষে বুধবার রাত ৮টার দিকে তারা হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার সড়কের কামাইছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে প্রবেশ করেন।এনসিপির নেতারা জানান, মঙ্গলবারের হামলার ঘটনায় এজাহার জমা দিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পর তারা মৌলভীবাজারে ফিরে যাবেন। এ সময় ঘটনাস্থলে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।বিকেলে শ্রীমঙ্গলের ‘চা কন্যা’ ভাস্কর্য এলাকায় প্রথমবার পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে পড়ে এনসিপির গাড়িবহর। সেখানে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে।পরে রশিদপুর গ্যাসফিল্ড এলাকায় দ্বিতীয় দফায় ট্রাক দিয়ে সড়ক অবরোধ করে তাদের আটকে দেওয়া হয়। দীর্ঘ আলোচনার পরও প্রথমে এগোনোর অনুমতি না পেলেও পরে মামলা দায়েরের উদ্দেশ্যে সীমিত পরিসরে কামাইছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে যাওয়ার সুযোগ পান এনসিপির নেতারা।এর আগে মঙ্গলবার হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রা শেষে দলের নেতাদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেয় দলটি। অপরদিকে একই সময়ে পাল্টা কর্মসূচি ঘোষণা করে ছাত্রদল ও সহযোগী সংগঠনগুলো। সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে জেলা প্রশাসন হবিগঞ্জ শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে এবং সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।